ভুয়া অর্ডার শুধু একটা পার্সেল নষ্ট করে না — staff-এর সময়, courier charge আর স্টক আটকে রাখে। কিছু লক্ষণ চিনে রাখলে বেশিরভাগ ভুয়া অর্ডার পাঠানোর আগেই ধরা যায়।
লক্ষণ ১: ঠিকানা অসম্পূর্ণ বা অদ্ভুত
শুধু "ঢাকা" বা "মিরপুর" লেখা, এলাকার নাম নেই, বা ঠিকানায় এলোমেলো অক্ষর — এমন অর্ডারে আগে ফোন করে পুরো ঠিকানা নিন।
লক্ষণ ২: নাম আর নম্বর মেলে না
নামের জায়গায় "abc", "test" বা কোনো বিখ্যাত মানুষের নাম; নম্বরে একই অঙ্ক বারবার — এগুলো সাধারণত মজা করে দেওয়া অর্ডার।
লক্ষণ ৩: অল্প সময়ে একই নম্বর থেকে অনেক অর্ডার
কয়েক মিনিটের মধ্যে একই নম্বর বা একই ডিভাইস থেকে একাধিক অর্ডার এলে duplicate বা ইচ্ছাকৃত হয়রানি হতে পারে। একটা রেখে বাকিগুলো যাচাই করুন।
লক্ষণ ৪: আগের ফেরতের ইতিহাস খারাপ
যে নম্বর আগে বেশ কয়েকটা পার্সেল ফেরত দিয়েছে, তার নতুন অর্ডারে ঝুঁকি বেশি। এমন ক্ষেত্রে আগাম delivery charge চাওয়া খুব স্বাভাবিক।
লক্ষণ ৫: ফোন ধরেন না বা বন্ধ
দুই-তিনবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ না হলে অর্ডারটা "hold"-এ রাখুন। customer নিজে ফোন দিলে তখন পাঠান।
লক্ষণ ৬: অস্বাভাবিক বড় অর্ডার
নতুন customer হঠাৎ অনেক বেশি পরিমাণ বা অনেক দামি অর্ডার দিলে আংশিক আগাম পেমেন্ট নিন।
কীভাবে নিয়মিত আটকাবেন
- OTP যাচাই: checkout-এ নম্বরে কোড পাঠিয়ে মিলিয়ে নিন।
- Order limit: একই নম্বর বা IP থেকে দিনে কয়টা অর্ডার নেওয়া যাবে, তা ঠিক করে দিন।
- Fraud check: courier-এর ইতিহাস থেকে customer-এর delivery আর return-এর হার দেখুন।
- Customer tag: বারবার ঝামেলা করা নম্বর "Fraud" tag দিয়ে চিহ্নিত রাখুন।
One Sales Flow-এ এই চারটা জিনিস নিজে থেকেই কাজ করে — অর্ডারের পাশেই ঝুঁকির তথ্য দেখায়, তাই staff বুঝতে পারে কোন অর্ডার আগে কল করে যাচাই করতে হবে।